সংবাদ শিরোনামঃ
নওয়াপাড়ায় শিশুশ্রম তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা সভা সুন্দরবনের হরিণ ধরার ৪২ টি মালা ফাঁদ উদ্ধার করেছে মুন্সিগঞ্জ বনটহল ফাঁড়ির সদস্যরা নওয়াপাড়ায় শিশুশ্রম তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা সভা শ্যামনগরে লিডার্সের সহযোগিতায় সমাজসেবা অফিসের গণশুনানি অনুষ্ঠিত অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড; সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড কে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করেছে কোস্ট গার্ড পারুলিয়ায় শিশুশ্রম তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা সভা মিসেস নুরজাহান পারভীন ঝর্ণার পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা বাসী ও জাতীয়তাবাদী দলের জন্য শুভেচ্ছা বার্তা শ্যামনগরের ০৮ নং ইশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদে গণশুনানী অনুষ্ঠিত সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ৪১টি ফাঁদ উদ্ধার করেছে বনবিভাগ শ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষ
আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে দূবলার চর সংলগ্ন সাগরে মাছ ধরতে রওনা হচ্ছে সাগর জেলেরা 

আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে দূবলার চর সংলগ্ন সাগরে মাছ ধরতে রওনা হচ্ছে সাগর জেলেরা 

 শ্যামনগর প্রতিনিধি।
খুলনা, বাগেরঘাট এর সুন্দরবনের দক্ষিণাংশে অবস্থিত দূবলার চরসহ আশপাশের জেলেপল্লিগুলোতে আগামীকাল (২৩ অক্টোবর) থেকে জেলেরা যেতে শুরু করবেন। প্রতি বছরের মতো এবারও তারা প্রায় ছয় মাস সেখানে অবস্থান করে মাছ ধরার কাজ চালাবেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা শেষে অক্টোবর থেকে শুরু হয় সুন্দরবনের জেলেদের প্রধান মাছ ধরার মৌসুম। এই সময় জেলেরা দল বেঁধে দূবলার চর, আলোরকোল, মেহেরআলী ও অফিসখালী এলাকায় অস্থায়ী জেলেপল্লি গড়ে তোলেন। সেখানে নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত তারা নদ-নদী ও সাগর মোহনায় চিংড়ি, রুপচাঁদা, লইট্টা মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
বনবিভাগ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট অনুমতি ও লাইসেন্স নিয়ে জেলেরা বনে প্রবেশ করবেন। তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বনবিভাগ ও কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
স্থানীয় জেলে ঈস্রফিল বলেন, প্রতি বছর আমরা দূবলার চরে মাছ ধরি, এবছর ও ৪ টা বোট নিয়ে রওনা দিব ঘাট থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তবে সুন্দরবনে প্রবেশ করবো রবিবারে সব জেলে এক সাথে, তিনি আরও বলেন, আমাদের জীবিকার বড় অংশ নির্ভর করে দূবলার চরে, আবহাওয়া ভালো থাকলে আশাকরি ভালো মাছ পাওয়া যেতে পারে এবছর। গত বছর কেমন মাছ হয়েছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন দশ লাখ টাকার মত লাভ ছিল আমার।
 সরজমিনে বুধবার সকালে শ্যামনগর উপজেলার পদ্মা পুকুর ইউনিয়ের গড় কুমারপুর এলাকায় যে দেখা যায় জেলেরা সকল প্রস্তুতি নিয়ে বোর্ড সাজিয়ে ফেলেছে, তাদের সাথে কথা বলতে গেলে যে জেলেরা বলেন আমাদের কথা বলার মত সময় নাই খুবই ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে আমাদের।
উল্লেখ্য, দূবলার চরে প্রতিবছর শুঁটকি মৌসুমে হাজার হাজার জেলের সমাগম ঘটে, যা উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *